‘ডোমেইন হোস্টিং আইটিইএস থেকে বাদ পড়ায় বাধাগ্রস্ত হবে সফটওয়্যার ও ই-কমার্স সেবা’
২০২৪-২৫ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে ডোমেইন ও ক্লাউড হোস্টিংকে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা (আইটিইএস) খাতের অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রভাব ক্ষুদ্র এই খাতটির পাশাপাশি অনলাইননির্ভর সফটওয়্যার ও ই-কমার্স সেবাকেও বাধাগ্রস্ত করবে বলে মনে করছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, কর অব্যাহতি না পাওয়ায় ডোমেইন হোস্টিং পরিচালনার খরচ বাড়বে। ফলে ডোমেইন হোস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।
এ কারণেই ফের ডোমেইন হোস্টিং সেবা পরিচালনায় কর অব্যাহতির চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর বনানীতে বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরকারের প্রতি এ দাবি জানিয়ে ফেসবুক ভিত্তিক ডোমেইন-হোস্টিং প্রোভাইডার্স ফোরাম, বাংলাদেশ। বৈঠকে ডোমেইন হোস্টিং সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান এক্সন হোস্ট, সলিউশন নাইন, ড্রিম লাইন আইটি সলিউশন, কনটেন্ট ম্যাটার্স লিমিটেড, ইওয়াই হোস্ট, ইলেকট্রা আইটি, বিডি সফট, পার্পল আইটির শীর্ষ কর্মকর্তা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা জানান, বাংলাদেশের ডোমেইন ও ক্লাউড হোস্টিং খাতের আকার খুব বেশি বড় নয়। এটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সফটওয়্যারই অনলাইন নির্ভর, যেগুলো ক্লাউড বা হোস্টিং সার্ভারের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। এখন ক্লাউড হোস্টিং বা ডোমেইন হোস্টিংকে করের আওতাভুক্ত করা হলে এ খাতের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।
বৈঠকে ফোরামের অন্যতম সদস্য অভো টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, আইটি ও আইটিইএস খাতের কর অব্যাহতির আওতায় ডোমেইন ও ক্লাউড হোস্টিং সেবাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু নতুন করে তিন বছরের যে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে এই খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। দেশের ওয়েবসাইট হোস্টিং ও ক্লাউড হোস্টিং বাজারের ৯০ শতাংশই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের দখলে রয়েছে। কর অব্যাহতি না পেলে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে টিকে থাকাই মুশকিল হবে।







